Sunday, February 9, 2020

কদম ফুলের পরিচিতি




কদম দীর্ঘাকৃতির পত্রঝরা বৃক্ষ এর ইংরেজি নাম হলো: Pigeon pea , গোত্র: Fabaceae , বৈজ্ঞানিক নাম: Cajanus cajan  গাছাটি দ্রæ বর্ধনশীল এর উচ্চতা ১৮ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে বাকল গাঢ় ধূসর বর্ণের অমসৃণ পাতা ডিম্বাকার বা উপবৃত্তাকার, সূক্ষ্যগ্র অথবা সামান্য দীর্ঘগ্র ফুল ক্ষুদ্র দেখতে কমলা অথবা হলুদ রঙের মতো হয় ফুলে সুগন্ধ আছে এর মাথাটা গোলাকার কদমের ফল মাংসল, গোলাকার এবং পাকলে রং হয় হলুদ
কদমের ফল দেখত টেনিস বলের মতো জুন- জুলাই মাসে ফুল ধরে পরে ফল হয় কদম দুই ধরনের হয়ে থাকে- একটি ধারাকদম অন্যটি কেলিকদম

কদমের ভেষজ গুণ


কদমের কান্ডের বাকলের নির্যাস কৃমিনাশক এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমায় হাত- পায়ের তলায় জ্বালা রোধ করে ব্রণেও কদম পাতা কাজে লাগে এর পাতার রসে কৃমি দূর হয়
কদমের ব্যবহার

বর্ষা শরৎ কালে কমদরেণু কদম ফুল ব্যবহার করা হয় কদমের বাকল সংকোচক, জ্বর বলকারক ওষুধ এবং সাপের দংশনে ব্যবহৃত হয় ম্যালেরিয়ার চিকিৎসাতেও এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে
  •  যাদের কৃমির উপদ্রব আছে তাদের কদম পাতা শুকিয়ে চুর্ণ করে গ্রামমতো সকালে  বিকেলে খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়
  •  কদম গাছের কচি ছাল বেটে সামান্য গরম করে টিউমারের জায়গায় প্রলেপ দিলে টিউমার কমে যায় এবং ব্যথাও থাকে না

ড্রাগন ফলের পরিচিতি




ড্রাগনফলের উৎপত্তিস্থল সেন্ট্রাল আমেরিকা এর ইংরেজী নাম হলো: Dragon fruit, গোত্রCactaceae , বৈজ্ঞানিক নাম:Hylocereus undantus ড্রাগন ফল দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় মনোমুগ্ধকর ড্রাগন ফল ক্যাকটাস গোত্রের একটি ফল গাছ দেখে সবাই একে চিরসবুজ ক্যাকটাস বলেই মনে করেন ড্রাগন ফল গাছে শুধু রাতে ফুল হয় ফুল লম্বাটে, সাদা হলুদ, অনেকটা নাইটকুইন ফুলের মতো কারণে ড্রাগন ফুলকে রাতের রানি নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে

ড্রাগন ফলের গাছ লতানো ইউফোরবিয়া গোত্রের ক্যাকটাসের মতো কিন্তু এর কোন পাতা নেই ফুল স্বপরাগায়িত; তবে মাছি, মৌমাছি পোকা- মাকড়ের পরাগায়ণ ত্বরান্বিত করে এবং কৃত্রিম পরাগায়ণও করা যেতে পারে

পুষ্টিমানে ড্রাগন ফল

সব ধরনের ডায়েটের জন্য ড্রাগন ফল উপযুক্ত ফল শরীরের জন্য ফাইবার সরবরাহ করে, যা পেটের পীড়া এবং লিভারের জন্য উত্তমখাবারের পর ডেজার্ট হিসেবে পূর্ব দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে ফল খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে ফলটি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, মিনারেল এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত প্রতি ১০০ গ্রাম ফলে ফাইবার . গ্রাম, ফ্যাট .৬১ গ্রাম, অ্যাশ .৬৮ গ্রাম, ক্যারোটিন .০১২ গ্রাম, পানি ৮৩. গ্রাম, ফসফরাস ৩৬. মিলিগ্রাম, এসকোরবিক এসিড . মিলিগ্রাম, প্রোটিন .২২৯ গ্রাম , রিবোফাবিন .০৪৫ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম . গ্রাম, নায়াসিন .৪৩০ মিলিগ্রাম আয়রন .৬৫ মিলিগ্রাম থাকে

ভেষজ গুণে ড্রাগন ফল


একটি তাজা ড্রাগন ফল খেয়ে শরীরকে সতেজ সুস্থ রাখা যায় যেসব মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত তারা ফল খেয়ে শরীরের রক্তের øুকোজকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ফ্রেশ ফলের চেয়ে শুষ্ক ফল বেশ কার্যকরী ফল সালাদের সাথেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে